সকাল
সাতটায় কলিং বেলটা বেজে উঠল। রণেন তখনও ঘুম থেকে ওঠে নি। শীতকাল। ডিসেম্বরের শেষ। ঘুম ভেঙে গেলেও ঠান্ডার আমেজে
কম্বল জড়িয়ে কোলবালিশ আকড়ে আয়েশ করার মজাই আলাদা। এমনিতে রণেন ব্যস্ত মানুষ। সে রাজ্যের
একজন মন্ত্রী। সকাল আটটা থেকে নটা পর্যন্ত এলাকার মানুষের সমস্যার কথা শোনার জন্য
প্রতিদিনই আলাদা একটি ঘরে বসে। ইচ্ছে না থাকলেও উঠে পড়তেই হয়। কিন্তু একান্ত আপন
কেউ না হলে বাড়ির কলিংবেলে হাত দেয় না। ভিজিটিং রুমে অপেক্ষা করে। হঠাৎ কে এল?
তখনই বাড়ির কাজের মেয়েটি একটি চিরকুট দিয়ে গেল। নামটা দেখেই বুকটা ধড়াস করে উঠল
রণেনের। দীর্ঘ ছাব্বিশ-সাতাশ বছর পর দীনেশ হঠাৎ কি মনে করে? আবার কী ঘোঁট পাকাতে
এসেছে? মেয়েটিকে বলল, বাইরের ঘরে অপেক্ষা করতে বল। বলে দে আমি বাথরুমে ঢুকেছি।
একটু দেরি হবে।
রণেন
এক গ্লাস জল খেয়ে ওয়াশরুমে গেল। সাধারণত দাঁত ব্রাশ, প্রাতঃকৃত্য সেরে একেবারে
স্নান করে বের হয়। আজ দীনেশের নামটা দেখে মন চঞ্চল হয়ে উঠেছে। দীনেশ তার জীবনের
অভিশাপ বললে অত্যুক্তি হয় না। অতীত স্মৃতি কখনও কখনও মনকে এমন বিষময় করে তোলে
স্বাভাবিক স্থিতি নাড়িয়ে দেয়। অনুচ্চারিত থাকাই মঙ্গল। দীনেশের আগমন শুনেই বুঝে
গেছে আজকের দিনটাও একটা কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হবে। তবু বিবেক বোধে দেখা হবে না
বলে ফিরিয়ে দিতেও পারল না।
একটু
অতীত স্মৃতিচারণা করলে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে। রণেন ও দীনেশের মধ্যে কিশোর
কাল থেকেই গভীর বন্ধুত্ব। ক্লাস ফাইভ থেকে স্কুল,কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে একসঙ্গে
পড়েছে। হরিহর আত্মা যাকে বলে। কলেজে পড়ার সময় আরেক মেয়েবন্ধু যুক্ত হয়। নিশা। যেমন
আলাপি, স্মার্ট, সপ্রতিভ। তিন বন্ধু মিলে চুটিয়ে আড্ডা। ক্লাস কামাই করেও নানা
জায়গায় ঘুরে বেড়াত। থার্ড ইয়ারে একদিন নিশা কলেজ ক্যানটিংয়ে রণেনকে প্রপোজ করে
বসল। রণেন আপ্লুত। মনের লালন করা ইস্পিত ইচ্ছা থাকলেও প্রকাশ করার সাহস ছিল না।
নিশার মতো মেয়েকে ভাল না বেসে থাকা যায় না। রণেন নিজেকে ভাগ্যবান বলেই মনে করে।
ক্রমে তাদের মেলামেশা আরও গভীর হতে থাকে। নিশার সঙ্গে আলাদা সম্পর্ক থাকলেও
যেখানেই হোক তিন বন্ধু জোটবদ্ধ হয়েই যায়।
গ্র্যাজুয়েশন
কমপ্লিট করে তিন বন্ধু ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হল। রণেন কলেজ জীবন থেকেই ছাত্র
রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ইউনিভার্সিটিতে এসে আরও বেশি সক্রিয়। নেতা হয়ে গেছে। পাশাপাশি নিশার সঙ্গে প্রেমও জোর
কদমে চলছে। শুধু নিজের পড়াশুনার বেলায় ঘাটতি। ক্যারিয়ার সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন।
ঠিকমতো ক্লাসগুলোও করা হয় না। দীনেশ, নিশা অবশ্য নিয়মিত ক্লাস করে। ওদের থেকেই
নোটগুলো পেয়ে যায় বলে রক্ষে।
দেখতে
দেখতে ফাইনাল পরীক্ষার তারিখ এগিয়ে এল। তখন আড্ডা কম। বাড়িতে বসে প্রস্তুতি নিচ্ছে
সবাই। যদিও রাজনীতির কারণে রণেনকে ইউনিভার্সিটিতে যেতে হয় প্রায়ই। তবু মেকআপ দিতে
চেষ্টা করছে। রণেনের বাবা কৃতি ছাত্র
ছিলেন। সরকারি আধিকারিক। তার সন্তান যদি পাশ না করতে পারে,প্রেস্টিজ থাকে না।
দেখতে
দেখতে ফাইনাল পরীক্ষা হয়ে এবং যথাসময়ে রেজাল্টও বেরিয়ে গেল। বলার মতো রেজাল্ট না
হলেও মোটামুটি ভাল ভাবেই পাশ করে গেল রণেন। যদিও নিশা, দীনেশ তার থেকে অনেকটাই
বেশি নাম্বার পেয়েছে। রণেনের আক্ষেপ নেই। ওরা তুলনামূলক খেটেছে বেশি তাই প্রাপ্য
নাম্বারই পেয়েছে। যেটা বলার রেজাল্ট আউট হওয়ার তিনদিন পর দুঃসংবাদটা পেল। দীনেশই
সাত সকালে বাড়িতে এসে খবরটা দেয়। নিশা
নাকি তাদের ইউনিভার্সিটির ইংলিশ স্যারকে বিয়ে করেছে। হঠাৎ ভূমিকম্প হলেও অতটা
বিচলিত হত না। রণেন বাকরুদ্ধ! রাগের মাথায় দুম করে
দীনেশকে কষিয়ে এক থাপ্পড় মেরে দিল। এমন আজগুবি কথা বলার অধিকার তাকে কে দিয়েছে
! ঠাট্টা ইয়ার্কির একটা সীমা থাকা উচিত।
অবিশ্বাস্য ! রণেন কিছুতেই বিশ্বাস করে না । সেদিন দীনেশ আর কোনও কথা বলেনি। মাথা
নত করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। বেলা বাড়তেই কথাটার সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে সে
হতবাক ! তিন বছর ধরে গভীর মেলামেশার পর কী করে সম্ভব? রণেন যথেষ্ট শক্ত মনের
মানুষ। কিন্তু মনটাই যদি তলিয়ে যায় স্থির থাকে কী করে? সেই প্রথম জীবনে বড় ধাক্কা
খেল। অস্থিরতার দিনগুলো যে কিভাবে কেটেছে একমাত্র সেই জানে। ওই মুহূর্তগুলোই মানুষ
কোনও অঘটন ঘটিয়ে ফেলে। কেউ অনুভব করতেও পারে না তার ভেতরের কী আলোড়ন চলছে। সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত
ছিল বলে একরকম বেঁচে গেছে। তখন থেকেই রাজনীতি তার নেশা, পেশা, ধ্যান জ্ঞান।
ছ'মাসও
অতিক্রম করে নি। আরেকটি চাঞ্চল্যকর খবরে চমকে ওঠে রণেন। নিশা নাকি ইংলিশ স্যার কে
ছেড়ে দিয়ে দীনেশের সঙ্গে থাকছে। ওরা নাকি বিয়েও করে নিয়েছে। এসব কী হচ্ছে এতদিন
রাজনীতি করেও মাথায় ঢুকছে না। এতটা বেইমান দীনেশ কী করে হতে পারে? নিশাই বা কী করে
পারল? মন মানসিকতার কথা ভেবে বন্ধু ভাবতেই ঘৃণা হচ্ছে। সেই থেকে যোগাযোগ
বিচ্ছিন্ন। মুখদর্শন করার বাসনা নেই তার। হঠাৎ দু-আড়াই যুগ পর কেন এল ভেবেই পাচ্ছে
না। মাস্টার্স কমপ্লিট করার পরে পরেই দীনেশ ব্যাংকের প্রবেশনারী অফিসারের চাকরি পেয়ে
যায়। শুনেছে তাদের একটি কন্যা সন্তান।
তারও পঁচিশ-ছাব্বিশ বয়স হয়ে যাওয়ার কথা। তবে কী মেয়ের বিয়ের আমন্ত্রণ করতে
এসেছে? রাস্কেল ! ভাবল কী করে বিয়েতে আমি যাব ! সাহস হয় কী করে?
( দুই )
দীর্ঘকাল
পর দীনেশকে দেখে চমকে ওঠে রণেন। একী চেহারা হয়েছে দীনেশের! বয়স আর কত হবে? বড়জোর
চুয়ান্ন-পঞ্চান্ন! কঙ্কালসার দেহ। চোখ দুটো কোটরে ঢুকে আছে। তবু তাকে এমন বিপর্যয়
অবস্থায় দেখেও রাগ এতটুকু প্রশমিত হয় নি। নিজে থেকে আগ বাড়িয়ে কথা বলারও রুচিবোধ
নেই।
দীনেশ
বলল," তোর সঙ্গে দেখা করতেও সংকোচ বোধ হচ্ছে। যে অপরাধ করেছি জানি তার ক্ষমা
হয় না। তবু নিরুপায় হয়েই আসতে হল। একমাত্র তুইই পারিস এর সমাধান করতে। যদি পুরোনো
কথা ভুলে গিয়ে একটু সাহায্য করিস, চির কৃতজ্ঞ থাকব।"
ক্ষমা
চাওয়ার আকুতি এবং চেহারার পরিণতি দেখে রণেনের মন কিছুটা সিক্ত হয়। মন্ত্রী
ছাড়াও সে একজন বিধায়ক হওয়ার সুবাদে এলাকার
দেখাশোনার দায়িত্বও বর্তায়।
জনগণের ভোট নিয়েই জিতে এসেছে। তাই শত্রু মিত্র সকলের পাশে থেকে সাহায্য করা উচিত।
রণেন
বলল," সমস্যাটা কি বল?"
দীনেশ
বলল," এক গুন্ডা আমাদের একমাত্র
মেয়েকে নিয়ে চলে গেছে। সে তোদের দলেরই সমর্থক। তাই তোর সাহায্য চাইছি।"
রণেন
বলল," থানায় ডাইরি করেছিস? জোর করে নিয়ে গেছে? তোর মেয়ের ইচ্ছে ছিল না
তো?"
"
মেয়ের জন্যই তো থানায় কমপ্লেইন করতে পারছি না। মেয়ে নাকি ওকে ভালবাসে। ওকে ছাড়া
নাকি বাঁচবে না। কি বলব বল? গুন্ডাটা বিবাহিত। বউটাকে তাড়িয়ে দিয়ে আমাদের মেয়েটাকে
ফুঁসলে নিয়ে গেছে। দু'দিন পর ভাগিয়ে দেবে না তার কি গ্যারান্টি আছে?"
রণেন
বলল," দুজনেই অ্যাডাল্ট। জোর করে
নিয়ে গেলে এক কথা ছিল। মেয়ে গোঁ ধরে থাকলে কি করা সম্ভব বল? ছেলেটার নাম কি? আমার
চেনা থাকলে বুঝিয়ে বলতে পারি। মেয়ে সম্মতি না দিলে এসব ক্ষেত্রে পুলিশ কেস করে কোনও লাভ হবে না।"
দীনেশ
বলল," গুন্ডাটার ডাক নাম পল্টু। আর অন্য কোনও নাম আছে কিনা জানি না। তোকে
অনুরোধ করছি কেসটা একটু দেখ। আমার বিশ্বাস তোর কথা গুন্ডাটা শুনবে। আগামী মাসে
আমার মেয়ের বিয়ের দিন ঠিক হয়ে আছে। ভাল একটি পাত্র পেয়েছি। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের
গ্রুপ এ অফিসার। বিয়ের আয়োজন প্রায় কমপ্লিট। নিশা তো বিছানা নিয়ে নিয়েছে। মেয়ে না
ফিরলে ওকে বাঁচানোই মুশকিল হয়ে যাবে।"
রণেন
বলল," পল্টু গুন্ডা তোকে কে বলল? পল্টু আমাদের পার্টির অ্যাকটিভ কর্মী। যতদূর
জানি ওর স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে গেছে। তবু আমি একবার ফোন করে দেখছি।" বলেই
দীনেশের সম্মুখেই পল্টুকে রিং করল।
ওপার
থেকে পল্টু বলল," বলুন স্যার কি প্রোগ্রাম আছে? কি কাজ করতে হবে?"
রণেন
বলল," পার্টির কাজের কথা বলছি না। তোকে একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করছি। আশা করি
সঠিক উত্তর পাব।"
পল্টু
বলল," আপনি আমার অভিভাবক। আপনাকে মিথ্যে কেন বলব স্যার। কি জানতে চান
নির্দ্বিধায় বলুন।"
রণেন
বলল," তুই নাকি একটি মেয়েকে জোর করে তুলে এনেছিস? তোর কাছে তো এমন আশা করি
না।"
পল্টু
বলল," আপনি আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন স্যার। কি করে বিশ্বাস করলেন আমি একটি
মেয়েকে জোর করে তুলে আনতে পারি? ঠিক আছে আপনি সেই মেয়ের সঙ্গেই কথা বলুন। নিন
ধরুন।"
রণেন
মোবাইলের স্পিকার অন করে বলল," শোনো মা। আমি তোমার বাবার বন্ধু। তুমি হুট করে
বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছ তাতে বাবা-মা কতটা কষ্ট পাচ্ছেন একবার ভেবে দেখেছ? সন্তান
বিপথে গেলে বাবা-মায়ের যে কি কষ্ট তুমি কল্পনাও করতে পারবে না।"
মেয়ে
বলল," প্রথমেই জানাই স্যার, আপনি বাবা-মায়ের এক কালে বন্ধু ছিলেন কিন্তু এখন
নন। থাকলে উপলব্ধি করতে পারতেন। ভালই হল, আপনাকে কিছু কথা জানানো দরকার। আমার
বায়োলজিক্যাল ফাদার ইউনিভার্সিটির ইংলিশ স্যার। এ নিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে নিত্য
অশান্তি। আপনি জানেন কি স্যার? বাবা-মায়ের মধ্যে টানা আঠারো-কুড়ি বছর কথা বন্ধ
ছিল? এমন কি মুখ দেখাদেখি বন্ধ। ওই বাবা নামক মানুষটি আমাকে সহ্যই করতে পারত না।
যেহেতু আমি তার ঔরসজাত সন্তান নই। বছরের বেশির ভাগ সময় আমি মামার বাড়ি থেকেছি।
আমার ক্যারিয়ার, ভবিষ্যৎ নিয়ে কেউ ভাবিত ছিল না।
এমনকি আমার মাও নয়। স্কুলে আমি ক্লাসে ফার্স্ট হতাম। ওদের খামখেয়ালির জন্য
আমার জীবনটা বরবাদ হয়ে গেল। মামারাও মায়ের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। ইদানিং মাস ছয়েক হল
হঠাৎ দেখছি ওদের মধ্যে একটু মিলমিশ হয়েছে। আমাকে নিয়ে দরদ উতলে উঠেছে। আমার জন্য
পাত্র দেখতে শুরু করেছে। কিন্তু আমি পল্টুকে ভালবেসে ফেলেছি। পিছিয়ে আসার উপায়
নেই। পল্টুর ডিভোর্সের অর্ডার হাতে পাওয়ার পরই আমি ওর বাড়ি চলে এসেছি। গতকাল
আমাদের আনুষ্ঠানিক বিয়েও হয়েছে। আর ফিরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। আশা করি
ব্যাপারটা আপনাকে বোঝাতে পেরেছি। আমায় ক্ষমা করবেন স্যার।"
রণেন
বলল," এসব কি শুনছি দীনেশ? মেয়ে যা বলল, সত্যি?"
দীনেশ
ফোঁপাচ্ছে। বলল," বিশ্বাস কর আমি তোর আগে থেকেই নিশাকে ভালবেসে ফেলেছিলাম। ও
যখন ফিরে এলে তখন চার মাসের প্রেগনেন্ট। তাও আমি মেনে নিয়েছিলাম। পরবর্তী সময়ে
চেয়েছিলাম, আমারও একটি সন্তান হোক। কিন্তু নিশা কিছুতেই রাজি হল না। বিয়ে করেছি, দায়িত্ব
নিয়েছি অথচ আমাদের একটি সন্তান থাকবে না? কি করে মানা যায় বল? "
রণেন
মনে মনে বলল, পাপ কাউকে ক্ষমা করে না। পরজন্মে সে বিশ্বাসী নয়। জীবিত কালেই শাস্তি
হতে বাধ্য।
মুখে
বলল," কি আর করবি? সবই কর্মফল। তবে মেয়েটি জলে পড়ে যায় নি। পল্টু যথেষ্ট
দায়িত্ববান ছেলে। সুখেই থাকবে। এইটুকু তোকে বলতে পারি।"
লেখকের অন্যান্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
লেখক পরিচিতি -
নিত্যরঞ্জন দেবনাথ পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার পানুহাটে ১৯৫৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।কাটোয়া কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক। বর্তমানে থাকেন হুগলির চুঁচুড়ায়। পেশায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন।অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেল-এর অধীন ডিভিশনাল অ্যাকাউন্টস অফিসার পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম গল্প " চেতনা " ছোটদের পত্রিকা শুকতারায় ১৯৯৬ - এর এপ্রিলে প্রকাশিত হয়। এরপর দেশ, শিলাদিত্য, কালি ও কলম,মাতৃশক্তি, তথ্যকেন্দ্র, কলেজস্ট্রিট, কথাসাহিত্য, দৈনিক স্টেটসম্যান, যুগশঙ্খ, একদিন,,সুখবর ইত্যাদি এবং বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত তাঁর সাহিত্যকীর্তি অব্যাহত। ইতিমধ্যে পাঁচটি গল্প সংকলন ও চারটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক "শতানীক " পত্রিকাটি দীর্ঘদিন ধরে সম্পাদনা করে আসছেন।
.jpg)
