Advt

Advt

ex-premika-story-galpo-by-nityaranjan-debnath-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-এক্স-প্রেমিকা-গল্প-নিত্যরঞ্জন-দেবনাথ


ex-premika-story-galpo-by-nityaranjan-debnath-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-এক্স-প্রেমিকা-গল্প-নিত্যরঞ্জন-দেবনাথ

অনেক দিন পর আমার পুরনো প্রেমিকার সঙ্গে দেখা। তা প্রায় বিশ-বাইশ বছরতো হবেই। ওর সঙ্গেই প্রেমটা লাস্টিং করেছিল বেশি। সম্ভবত টানা আড়াই-তিন বছর। আর বাকি সব ছুটকো-ছাটকা যেগুলো ছিল সেগুলো ছ'মাসের ওপর টেকেনি। ভুলেও গেছি সব। একটা বয়সে প্রেমতো সবাই করে। তাই না? কারো কারো পাঁচ-সাতটাও ছাড়িয়ে যায়। জাস্ট এনজয়। বিয়েতো করে সেই একজনকেই। সেটাও আবার প্রেমিকা থাকতেও অন্য কেউ হয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে এর সঙ্গে একটা সম্ভাবনা প্রবল ছিল। কারণ দু-আড়াই বছর বুঝতেই পারছেন। কম সময় নয়। মন দেয়ানেয়া থেকে শুরু করে কোনও কিছুই বাদ থাকে না। সেই অবস্থায় ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়াটা সাংঘাতিক অবস্থা। অনেকের মস্তিষ্কবিকৃতিও দেখা দেয় ।অবশ্য সামলে নিয়েছিলাম। সেও এক  হৃদয়বিদারক কাহিনি। সেকথায় পরে আসছি।

আজ নন্দন চত্বরে নীপাকে দেখে আমার বুকের ভেতরটা কেমন হু হু করে উঠল। যেন শুধু শূন্যতা আর শূন্যতা। ভুলে গিয়েছি বয়সটা তেইশ-চব্বিশ পেরিয়ে পঞ্চাশে পা দিয়ে ফেলেছি। চঞ্চলতা মানায় না। মাঝখানে যে ছাব্বিশ-সাতাশটা বসন্ত মিঠে রোদে পার হয়ে গিয়েছে হুশ নেই। আসলে এর একটা যুক্তিসংগত কারণ আছে। আমার চেহারা হয়তো বদলে গেছে। স্বাস্থ্য যেমন ফিরেছে তেমনি মধ্যপ্রদেশ স্ফীত হয়েছে। চুলে সোনালী রেখা। মোদ্দা কথা স্লিম চেহারার মিষ্টি যুবকটি আর নেই। কিন্তু নীপাকে দেখো, সেই ইউনিভার্সিটির উচ্ছল মেয়েটিই যেন। চেহারার নো চেঞ্জ। সামান্য মেদ থাকলেও শরীরের উজ্জ্বলতা হাজার গুণ বেড়েছে। বয়সটা এতটুকু বাড়ে নি। আপেলের মতো গায়ের রং আগেও ছিল কিন্তু এমন অপরূপা ছিল না। আজ হঠাৎ তাকে দেখে এমন কাছে পেতে ইচ্ছে করল, কি বলব নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না। আমিই প্রথম দেখি। অবনীন্দ্র সভা ঘরের যে বিল্ডিংটা তার পাশে কতগুলো সিমেন্টের বাঁধানো বসার জায়গা আছে না, সেখানেই চুপটি করে বসে আছে। দু'টো শালিখ পাখি খুঁটে খুঁটে কিসব খাচ্ছিল, সেদিকেই স্থির দৃষ্টি। দেখেই আঁতকে উঠি। হুবহু নীপার মতো লাগছে না! কৌতূহল বসত এগিয়ে গেলাম। নীপা আমার দিকে তাকাচ্ছেই না। একী সেই?  মনের বিভ্রম জেনেও স্থির দাঁড়িয়ে রইলাম। মনে মনে অংক কষছি নীপার এখন পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই হবেই। এরতো সাতাশ-আটাশ-ত্রিশের বেশি হতেই পারে না। তবু জিজ্ঞেস করে বসলাম, " আপনার নাম কি নীপা?"

নীপা আমাকে অপলক কিছুক্ষণ দেখল। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে " আরে অনিশ তুই? " বলেই আমার হাতটা ধরে টেনে বসিয়ে জড়িয়ে ধরে এমন একটা চুমু খেল, আমি হতবাক! ইচ্ছে করেই আমি ছাড়িয়ে নিলাম।" বললাম, এটা বিদেশ নয়, কলকাতা, পাঁচজনে দেখছে।" তবু শক্ত করে আমার হাতটা ওর কোলে নিয়ে ধরে বসে রইল। বলল," ছাড়তো! দেখে দেখুক। তুই আমার এক্স প্রেমিক। কখনো ভোলা যায়?"

মিথ্যে বলব না, আমি কিন্তু ইতিমধ্যে কাত হয়ে গিয়েছি। এমন মাখনের মতো নরম শরীর জীবনে প্রথম স্পর্শ করলাম। তার উপর কত সুন্দরী হয়েছে ভাবতেও পারছি না।

নীপা বলল, " তোকেই মনে মনে চাইছিলাম। ট্যালিপেথি বলতে পারিস। ভাবতে ভাবতেই পেয়ে গেলাম। শোন, এক মাসের জন্য কলকাতা এসেছিলাম। তারমধ্যে একুশটা দিন কতগুলো ফর্মালিটি করতেই কেটে গেল। হাতে আর ন'দিন টাইম।  তুই অফিস থেকে এক সপ্তাহ ছুটি নে। বাড়িতে বলবি অফিসের কাজে বাইরে যাচ্ছি। সাতটা দিন দিঘায় গিয়ে আমরা এনজয় করব। এক্স প্রেমিকার সম্মানে এটা তোকে করতেই হবে।"

আমি বললাম," দেখি ছুটি ম্যানেজ করতে পারি কিনা। তোর সঙ্গে কটা দিন কাটাতে আমারও খুব ইচ্ছে করছে।"

নীপা বলল," সে তো করবেই। আমাদের মধ্যে কত মিল ছিল বলত? দৈব পাকে বিয়েটা হয় নি। হলে কিন্তু রাজযোটক হতো। বল? যাইহোক, বসকে বলবি, ছুটি দিতেই হবে। আর্জেন্ট কাজ। কাল অফিস থেকে একটু আর্লি আয়। একটু বেশি সময় আড্ডা দেওয়া যাবে, কেমন?"

আমি বললাম," সে আর বলতে? আমি হাফ ছুটি নিয়ে চলে আসব। তুই দুটো-আড়াইটার মধ্যে চলে আয় এখানে।"

" ওকে মাই ডিয়ার। এই না হলে বেস্ট ফ্রেন্ড। মনের মিল কত গভীরে বুঝতে পারছিস? ঠিক আছে আমি ডট দুটোতেই এখানে এসে বসব। তারপর কোথায় যাওয়া যায় ঠিক করব।"

সত্যি সত্যি পরদিন আমি দুটো বেজে দশ মিনিটেই পৌঁছে গেলাম। দেখি নীপা ঠিক যথাস্থানে বসে আছে। আজ আবার খুব সেজে এসেছে। যদিও না সাজলেও ওকে দারুন লাগে। আমাকে দেখেই উঠে দাঁড়াল। বলল," কোথায় যাবি বল?"

বললাম, "প্রথমেই একটা সুখবর দিই। ছুটি ম্যানেজ হয়ে গেছে। তবে কালকের দিনটা অফিস করতে হবে। পরশু থেকে টানা পাঁচদিন একদম ফ্রী।"

" পাঁচদিন কেন? সাতদিন করতে পারলি না? আচ্ছা ঠিক আছে, তাই হোক। একটু বসে যা।" বলেই নীপা মোবাইলে খুটখাট শুরু করল। পাশে বসে বুঝলাম হোটেল বুকিং এবং ট্রেনের টিকিট রিজার্ভেশন কনফার্মড করে ফেলল। বলল, বল কোথায় যাবি?

সত্যিই তো কোথায় যাওয়া যায়। গতকাল আমার যে ফুরফুরে মেজাজ ছিল,কেন জানি না আজ সেটা উধাও। মন বলছে, বি প্র্যাকটিক্যাল। ফেব্রুয়ারির শেষ। ঝলমলে আকাশ। মৃদু ঠান্ডার আমেজ বেশ উপভোগ করার মতো। বললাম," চল, ইউনিভার্সিটি চত্বরে ঘুরে কফি হাউসে একটু আড্ডা মেরে তারপর অন্যকোথাও যাওয়া যাবে। পুরোনো দিনগুলো একটু চেখে আসি। কত স্মৃতি উস্কে দেবে দেখিস।"

নীপা বলল," মন্দ বলিস নি। চল, তাই যাওয়া যাক।"

কলকাতার রাস্তা এই সময়টা একটু ফাঁকাই থাকে। একটা ট্যাক্সি দাঁড় করিয়ে উঠে পড়লাম। নীপাকে দেখে মনে হচ্ছে যেন এক অষ্টাদশী গ্রাম্য প্রেমিকা। আমার পাশে ঘেঁষে বসে এমন ভাবে হাত টেনে নিল যেন সুযোগ পেলেই পালিয়ে যাবো তাই প্রাণপ্রাণ আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা।

বাড়ি ফিরলাম রাত দশটা। ইউনিভার্সিটি, কফি হাউসে আড্ডা মেরে স্ট্যান্ড রোডের কাছে গঙ্গার ধারে গিয়ে বসেছি। কত গল্প! কথা যেন শেষই হয় না। কম দিনতো নয়, বিশ-বাইশ বছর পর দেখা। কত কথা জমে পাহাড় হয়ে আছে। কিছুতো উজাড় করতেই হয়। মূলত নীপার বৈভবের কথার ফুলে ফেঁপে শোনাচ্ছিল। তবে ওদের কোনও সন্তান হয়নি। হাজবেন্ডের নাকি ত্রুটি। একটি ব্যাপার ছাড়া স্বর্গসুখে আছে। ফেরার সময় বললাম, "কাল আর আসছি না। একেবারে পরশু সকাল সাড়ে সাতটায় হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে যাব, কেমন? তারপর তো টানা পাঁচদিন প্রথম হানিমুনে যাব।"

নীপা উচ্ছল আনন্দে বিগলিত। বলল, "তা যা বলেছিস। ঠিক আছে, কাল তোকে রেহাই দিলাম। পরশু দেখা হচ্ছে।"

বাড়ি ঢুকতেই পৃথা বলল," কি ব্যাপার? আজ এত দেরি? কোথাও গিয়েছিলে নাকি?"

"আর বলো না।অফিস থেকে বেরোতেই সজলবাবু বলল, আইনক্সে একটা ভাল ছবি এসেছে চলুন দেখে আসি। আর না করতে পারলাম না। তোমাকে যে ফোনে জানাব সেটাও মিস হয়ে গেছে।"

" ভাল করেছ। এখন আর চা খেতে হবে না। ফ্রেস হয়ে ডাইনিংয়ে চলে এস। একেবারে খেয়ে নেবে।" তখনই আমার আদরের মেয়ে এসে মুখ বাড়িয়ে বলল, " বাপি আমাকে একটা কিস খাও তাড়াতাড়ি।"

" কেন কেন?"

পৃথা বলল," এত করে বলছে, একটু আদর করই না। নিশ্চয়ই কোনও কারণ আছে।"

রহস্যটা বুঝতে না পারলেও মেয়েকে আদর করে একটি চুমো দিয়ে বললাম, বল এবার কি ব্যাপার? এত খুশি কেন?"

মেয়ে স্কুলের রেজাল্ট সিটটা এগিয়ে দিল। " আমি ম্যাথ ও ফিজিক্সে হান্ড্রেডএ হান্ড্রেড পেয়েছি। তুমি বলেছিলে ফিজিক্সে হান্ড্রেড পাওয়া খুব টাফ।  আমি তাহলে পেরেছি বলো?"

আমি রেজাল্ট দেখে আপ্লুত। মেয়ে নাইন থেকে টেন ক্লাসে উঠল। শুধু ফার্স্ট হয়েছে বলে নয়। প্রতিটি সাবজেক্টের নাম্বার তারিফ করার মতো। এরজন্য সম্পূর্ণ অবদান পৃথার। আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলেটি এবার সেভেন থেকে ক্লাস এইটে উঠল। দুজনেই ক্লাসে ফার্স্ট হয়। পৃথা ম্যাথে এম.এস.সি। আমার সাবজেক্ট ফিজিক্স।অথচ আমি ওদের পড়ার ব্যাপারে খবরই রাখি না। পৃথা নিয়ম করে প্রতি সন্ধ্যায় ওদের নিয়ে বসবেই।বাইরের টিউটরের প্রতি ওর কোনও ভরসা নেই। মনটা আনন্দে ভরে গেল।

রাতে শুয়েও ঘুম আসছিল না। কত কথা মনে পড়ছে। এম.এস.সি কমপ্লিট করার পরেই একটি চাকরি পেয়ে গিয়েছিলাম। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের জুনিয়র অফিসার। এখন অবশ্য প্রমোশন পেয়ে সিনিয়র অফিসার হয়ে গেছি। ঠিক করলাম, বিয়েটা করে ফেলব। নীপার সঙ্গে একদিন দেখা না হলেই মনটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগে। ওকে ছাড়া যেন কিছুতেই বাঁচবো না। ইউনিভার্সিটিতে থাকার সময় রোজই দেখা হতো। সমস্যা ছিল না। চাকরি পাওয়ার পরই যত গন্ডগোল। ছ'টার আগে কোনওদিনই বেরোতে পারি না। একটি মেয়েকে সন্ধ্যের পর রোজ রোজ আসতে বলাটাও দৃষ্টিকটু। আমাদের বাড়ি কয়েকবার এসেছে। বাবা-মায়েরও পছন্দ। নীপাদের বাড়িতেও সম্মতি আছে জেনেছি। মোটামুটি বিয়ের দিন স্থির করে ফেললাম। এবার উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে বাকি কাজ সম্পন্ন করবে। এরমধ্যেই ঘটনাটা ঘটল। একদিন তড়িঘড়ি নীপা এল আমার অফিসে। বেলা একটা-দেড়টা হবে। আমার চেম্বারে বসেই কথা হচ্ছিল। কোনও ভূমিকা না করেই বলল," তোকে একটা গুড নিউজ দিতে এলাম। হঠাৎ করে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে বুঝলি? ছেলেটি বিদেশে থাকে। কানাডা। ব্রাইট ফিউচার। আগামী সতের তারিখ বিয়ে। তোকে বিশেষ ভাবে আমন্ত্রণ করছি। এই নে কার্ডটা রাখ। অবশ্যই যাবি কিন্তু।"

আমি স্তম্ভিত ! বললাম, না এ হতে পারে না। আমার কাছ থেকে কেউ তোকে কেড়ে নিতে পারবে না। আমি আজই ছেলের কাছে যাব। বলব, তিন বছর ধরে আমাদের গভীর প্রেম। এ বিয়ে হবে না কিছুতেই।"

নীপা বলল," পাগলামি করিস না। বিদেশে সেটেলড হওয়ার এত বড় সুযোগ কেউ ছাড়ে বল? স্টেটাস কত হাই হয়ে যাবে বুঝতে পারছিস?"

" তবে কী আমাদের এতদিনের প্রেম, ভালবাসা সব মিথ্যে?"

" দূর ! ওসব ছাড়তো ! একটু প্রাকটিক্যাল হওয়ার চেষ্টা কর বুঝলি? চলি, আমার অনেক কাজ আছে।" বলেই হন হন করে বেরিয়ে গেল।

আমার যে তখন কি অবস্থা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন। ক'রাত্রি যে ঘুমোতে পারিনি সে কথা কহতব্য নয়। পাগল যে হয়ে যাইনি, বলতে গেলে উপরওয়ালাই রক্ষা করেছেন। সেই সময়ই আমার এক মাসি পৃথাকে নিয়ে আসেন আমাদের বাড়িতে। বাবা-মায়ের মেয়েটিকে খুব পছন্দ হয়ে যাওয়াতে মাসির মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব দেন।  পৃথা তখন সবে একটা স্কুলে চাকরি পেয়েছে। উভয় পক্ষ রাজি থাকাতে বিয়েটাও তড়িঘড়ি হয়ে যায়। কি বলব, আমি বেঁচে গেছি। পৃথাও সুন্দরী। সবচেয়ে বড় কথা দায়িত্ব বোধ প্রবল। বাবা-মা বরাবরই পৃথার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। আজ বাবা-মা নেই অথচ সংসারের সমস্ত দায়িত্ব একাই হাসি মুখে সামাল দিচ্ছে।

পরদিন অফিস গেলাম না। বউ ছেলেমেয়েকে নিয়ে একটু আউটিংয়ে বেরোলাম। কাছেই, ডায়মন্ড হারবার। সারাদিনটা  বেশ এনজয় করে সন্ধ্যের পর ফিরলাম।

রেরদিনের ঘটনা। ঠিক সাড়ে সাতটায় ফোনটা এল। রিং হয়েই যাচ্ছে।ধরলাম না। সাইলেন্ট করে রাখলাম। ঠিক আটটা বাজতে তিন মিনিট আগে ফোনটা ধরলাম। " কী ব্যাপার? কখন থেকে ফোন করে যাচ্ছি। তুই কোথায়?  পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঢুকতে না পারলে ট্রেন ছেড়ে দেবে বুঝতে পারছিস?"

"ছেড়ে দিক না। তুই ফিরে যা।"

"মানে?"

"আমার তো একটা পরিবার আছে নাকি? তোর সঙ্গে যাব কোন দুঃখে?" বলেই ফোনটা অফ করে দিলাম।

শেষ

লেখকের অন্যান্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

লেখক পরিচিতি -

নিত্যরঞ্জন দেবনাথ পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার পানুহাটে ১৯৫৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।কাটোয়া কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক। বর্তমানে থাকেন হুগলির চুঁচুড়ায়। পেশায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন।অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেল-এর অধীন ডিভিশনাল অ্যাকাউন্টস অফিসার পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম গল্প " চেতনা " ছোটদের পত্রিকা শুকতারায় ১৯৯৬ - এর এপ্রিলে প্রকাশিত হয়। এরপর দেশ, শিলাদিত্য, কালি ও কলম,মাতৃশক্তি, তথ্যকেন্দ্র, কলেজস্ট্রিট, কথাসাহিত্য, দৈনিক স্টেটসম্যান, যুগশঙ্খ, একদিন,,সুখবর ইত্যাদি এবং বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত তাঁর সাহিত্যকীর্তি অব্যাহত। ইতিমধ্যে পাঁচটি গল্প সংকলন ও চারটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক "শতানীক " পত্রিকাটি দীর্ঘদিন ধরে সম্পাদনা করে আসছেন।