রবিবারের
সকাল। ঝলমলে আকাশ। অলক চা বিস্কিট খেয়ে বাজারের ব্যাগ নিয়ে বের হল। সারা সপ্তাহের
কাঁচা সবজি,মাছ,মাংস ইত্যাদি সব গুছিয়ে কিনে আনে।
কারণ অন্যদিন অফিস বেরোনোর ব্যস্ততায় বাজার যাওয়ার সময় হয় না। মুদিদ্রব্য
অন লাইনে আনা গেলেও কাঁচা মাছ-মাংস বাজার থেকে দেখেশুনে পছন্দ করে কিনতে হয়।
বাজারের
মুখে কুসুমকে দেখে অবাক। কিছু বলবে বলেই বোধহয় দাঁড়িয়ে আছে।
কুসুম বলল," দাদাবাবু তোমার সঙ্গে কয়েকটি কথা আছে। তাই বাধ্য হয়ে বাজারে এলাম
বলতে।"
অলক বলল," কথা আছে বাড়িতেই তো বলতে পারতিস। উজিয়ে বাজারে এলি কেন?"
কুসুম তার বাড়ির কাজের মেয়ে। হঠাৎ কি এমন গোপন কথা! বাড়িতে না বলে বাজারে আসতে হল!
"আমাকে তো কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছে বৌদিমণি। তাই বাড়িতে আর যাব না।
অলক অবাক ! " কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছে মানে ! পনের বছরের ওপর কাজ করছিস। কি
এমন করেছিস যে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিল?"
"সে
অনেক কথা। এখানে এত কথা বলা সম্ভব নয়। শুধু কয়েকটা কথা বলে যেতে চাই।"
অলক ভেবে পায় না এমন বিশ্বস্ত কাজের মেয়ে কখনো পাবে? ঈশিকা কেন যে বোঝে না। দুম
করে এমন সব সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়, বললে আবার মাথা গরম করবে। কুসুম মায়ের সমস্ত কাজ এমন পরিপাটি করে করত, মা
সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিলেন। সর্বদা ওর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সব চেয়ে বড় কথা অত্যন্ত
বিশ্বস্ত। অনেক বার পরীক্ষা করে দেখেছে হাজার হাজার টাকা এদিক ওদিক পড়ে থাকলেও কখনো
হাত দিত না। সকাল আটটা থেকে রাত আটটা, ছেলেকে সামলানো থেকে সংসারের বহু কাজ করে।
ছেলেটাকে তো কুসুমই কোলেপিঠে বড় করে ফেলল। জন্ম থেকেই কুসুমের জিম্মায়। দেখতে
দেখতে ছেলের চার বছর হয়ে গেল। সেই কুসুমকে কেন ছাড়াল মাথায় ঢুকছে না।
অলক বলল," ঠিক আছে তুই ঘন্টা খানেক পর বাড়ি আয়। তোর বৌদির সঙ্গে কথা বলি। তোকে
থাকতেই হবে যে যাই বলুক।"
"
না দাদাবাবু, বৌদি যেভাবে অপমান করেছে এরপর আমি আর কাজ করব না। তোমাকে কয়েকটা কথা
বলেই চলে যাব।"
অলক
আন্দাজ করছে এতদিন বাড়ির সদস্যের মতো থেকেছে তো। সবসময় নিজের মতো মনে করেছে। তাকে
যদি কাজের মেয়ে বলে কটু কথা শোনায় সম্মানে লাগারই কথা।
অলক বলল," তোকে কাজ ছেড়ে দিলে হবে না। আমি দেখছি ব্যাপারটা। বল, কি বলতে
চাইছিস?"।
কুসুম বলল," কথাটা গোপন রাখবে। তোমাদের বাড়ির নুন খেয়েছি বলেই বলে যাচ্ছি।
বৌদি যদি কাচের গ্লাসে করে হরলিক্স বা দুধ খেতে দেয় কখনোই খাবে না। ওতে অন্য কিছু
মেশানো থাকতে পারে। মাসিমাকে কিন্তু ওভাবেই মেরে ফেলেছে। এটা আমি জোর গলায় বলতে
পারি।"
"কি বাজে কথা বলছিস? তোর মাথাটা গেছে। একবার ডাক্তার দেখা। যা টাকা লাগে নিয়ে
যাস আমার থেকে। না হলে এমন পাগলের প্রলাপ কেউ
বকে !"
"পাগলের
প্রলাপ নয় দাদাবাবু। আমি এক বর্ণও মিথ্যে বলছি না। তুমি একটু সাবধানে থেকো এইটুকু
বলে গেলাম। আমি যা শুনেছি তোমাকেও সরিয়ে দেওয়ার তাল করছে।"
"তুই যে এত বড় বড় কথা বলছিস প্রমাণ দিতে পারবি তো?"
"প্রমাণ
দিতে পারব না বলেই তো তোমাকে বলতে এলাম। প্রমাণ রাখতে পারলে তো বাড়িতেই চিৎকার করে
বলতাম। তবে কথাটা মিথ্যে নয় এইটুকু জেনে রেখো।"
"কি
শুনেছিস বলতো? কার কথা বলছিস? একটু খোলসা করে বলবি?"
"তোমার
বন্ধু সুনীল দাদাবাবু। তুমি অফিস বেরিয়ে গেলে উনি তো রোজই আসেন। সারাদিন দরজা বন্ধ
করে কি যে করে বলতেও লজ্জা করে। একবার মাসিমা, সুনীল দাদাবাবুকে দু'কথা শুনিয়েছিল।
তারপরেই তো মাসিমা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ল। তিনদিনের মধ্যে চলেও গেল। না হলে মাসিমার
কী মরে যাওয়ার মতো কোনও রোগ ছিল?"
"মায়ের
বয়স হয়েছিল। হঠাৎ গ্যাস ফরম করে পায়খানা বমি করতে করতে হার্টফেল করে মারা গেছে।
ডাক্তারই তো বলেছে। অবান্তর কথা বলিস না। মানুষকে সন্দেহ করা পাপ। যা বাড়ি যা।"
"যাচ্ছি, কিন্তু কথাটা মনে রেখ। সতর্ক থাকলেই ঠিক হাতে নাতে ধরতে
পারবে।"
কুসুম
চলে যেতেই অলক থমকে দাঁড়িয়ে রইল। গূঢ় রহস্যটা অনুধাবন করার চেষ্টা। কুসুমকে
বুদ্ধিমতী বলা যাবে না। এক কথায় সহজ সরল। কাজ করে সারাদিন। বসে থাকার মেয়ে নয়।
মায়ের খুব নেওটা ছিল। মা-ও নিজের মেয়ের মতো ভালবাসত। সব কাজ করে। কোনোটাতেই না
নেই। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। চমৎকার রান্না করে। অলকের জামা প্যান্ট গেঞ্জি ইত্যাদি
কেচে পরিপাটি করে ইস্ত্রি করে রাখে। বেশি কথাও বলে না। মাস গেলে পাঁচ হাজার টাকা
দেয়। আর সকালে টিফিন ও দুপুরে খাওয়াটা পায়। এমন একটা মেয়ে থাকলে সংসারে যে কি
সুসার হয় বলে বোঝানো যাবে না। কিন্তু কি নিয়ে সমস্যাটা হল। ছাড়িয়ে দিল কেন?
বন্ধু
সুনীল বেকার। কোনরকমে বিকম পাশ করে বসে আছে। একটু বাউন্ডেলে। বাবার হোটেলে খায় আর
আড্ডা। মা একদিন বলেছিল, সুনীলটাকে ঘন ঘন আসতে বারণ করে দিস তো। তুই অফিস গেলে
প্রায়ই চলে আসে। কেনরে? সোমত্ত ছেলে বৌমার সঙ্গে যেভাবে গুজুর গুজুর ফুসুর
ফুসুর করে আমার কিন্তু একদম ভাল মনে হয়
না। কথাটা অলক অতটা আমল দেয় নি। সন্দেহ করাটা পাপ। আর ঈশিকাকে যতটা বুঝেছে তেমন
কিছু নয় বলেই তার বিশ্বাস। কিন্তু আজ মনে অস্বস্তি হচ্ছে কেন? কুসুমকে ছাড়িয়ে
দেওয়ার উদ্দেশ্যটা কি ! তবে কী সত্যিই কোনও সম্পর্ক গড়ে উঠেছে? কুসুম থাকাতে কী
অসুবিধা হচ্ছে। কথাটা কিভাবে উত্থাপন করবে ভেবে পাচ্ছে না।
বাজার
করছে ঠিকই মনের কোণে কুসুমের কথাগুলো অনবরত নাড়া দিয়ে চলেছে। কিছুতেই স্বস্তি
পাচ্ছে না। হয়তো কিছুই নয়। নিয়মিত মেলামেশা থেকে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে ওঠাটা
অস্বাভাবিক নয়। অন্তরঙ্গ থেকে শারীরিক সম্পর্ক কী হতে পারে ! না হলে দরজা বন্ধ করে
কেন? ভাবতেই কেমন শিউরে উঠছে।
অলক
সরকারি অফিসের আধিকারিক। দায়িত্বপূর্ণ কাজ। যথেষ্ট চাপের মধ্যে সব ম্যানেজ করতে
হয়। এ সমস্ত ছোটখাটো ব্যাপার নিয়ে মাথা ঘামানোর সময়ও নেই ইচ্ছেও নেই। কিন্তু এখন
যা পরিস্থিতি একটু রাশ টেনে না ধরলে নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। কিন্তু কীভাবে !
বাড়িতে অশান্তি হলে অফিসেও কাজের ব্যাঘাত ঘটে। রেশ থেকেই যায়।অস্থির মনে সঠিক
সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। ইমিডিয়েট পদক্ষেপ না নিলে মনকেও শান্ত করা যাবে না।
বাড়ি
ঢুকল বেলা সাড়ে এগারোটা। বৈশাখের মাঝামাঝি। সূর্যদেব যেন সকাল থেকেই তেতে আছে।
তারউপর মানসিক অস্থিরতা। অলক রীতিমতো বিধ্বস্থ। ঈশিকাকে বলল, কুসুমকে বল আনাজপাতি,
মাছ মাংসগুলো প্যাকিং করে ফ্রিজে গুছিয়ে রেখে দিতে।"
ঈশিকা
বলল," কুসুমকে ছাড়িয়ে দিয়েছি। তুমিই প্যাকিং করে দাও আমি ফ্রিজে ঢুকিয়ে
দিচ্ছি।"
" কুসুমকে ছাড়িয়ে দিয়েছ মানে? বুঝলাম না, কেন? মাছগুলো প্যাকিং করার আগে ভাল করে ধুতে হবে না?
কে ধোবে এখন?"
"একদিন
না হয় তুমিই ধুয়ে দাও। তাতে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে?"
চিড়িৎ
করে অলকের মটকা গরম হয়ে গেল। এমনিতে গরমের সময় বাজার থেকে ফিরলেই হাতের কাছে এক
গ্লাস শরবত এগিয়ে দিত কুসুম। নুন চিনি লেবু দিয়ে বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিত।
চমৎকার সুস্বাদু।খেলেই শরীর ঠান্ডা। মা-ই
ওকে শিখিয়েছে। আজ আর কে দেবে? ফলে
বিক্ষিপ্ত মন আরও উত্তপ্ত।
অলক বলল," আমি ওসব পারব না। আমার অনেক কাজ আছে। কুসুম ছাড়া রান্না করবে কে?
পাঁচ বছরের উপর হয়ে গেল এখনো তো রান্নাটা শিখতে পারলে না। শুধু বড় বড় কথা।তারপর
সারা সপ্তাহের জামা কাপড় কেচে ইস্ত্রি কে করে রাখবে?। দুম করে ছাড়িয়ে দিলেই হল?
ভাববে না? "
ঈশিকা বলল," জামা কাপড় সব লন্ড্রিতে দিয়ে আসবে। এতবড় চাকরি করো বাড়িতে কাচবে
কেন? আর রান্নার লোক দেখছি। আপাতত ক'দিন
অন লাইন খাবার আনিয়ে নেব। আজকেরটা অর্ডার দিয়ে দিয়েছি। ঘন্টা খানেকের মধ্যে এসে
যাবে। তবু কুসুমকে আর রাখব না। ভাবখানা এমন যেন সেই বাড়ির মালকিন। আমার কাজের
কৈফিয়ত চায়। সাহস কত? তোমরা লাই দিয়ে দিয়ে মাথায় তুলেছ। দোষটা শুধু ওর নয়
তোমাদেরও। দু'চক্ষে দেখতে পারিনা এসব আদিখ্যেতা। ওর নাম আমার সম্মুখে আর বলবে না
বলে দিলাম।"
"কি
কৈফিয়ত চাইছে জানতে পারি কি?"
"
না, সে সব তোমার জনার দরকার নেই।"
"
কেন নেই? সংসারটা শুধু তোমার নয় আমারও। তাই সব কথা জানার অধিকার আমারও আছে।"
"না, সবকথা পুরুষদের জানতে নেই। বাজে বকো না যাও, তুমি তোমার কাজে যাও।"
"তাহলে কুসুমের কাছেই জানতে হবে। ও কি কৈফিয়ত চেয়েছে?"
" বা বাঃ ! শেষ কালে কাজের মেয়ের কাছে নিজের বউয়ের কথা জানতে চাইবে ! ছিঃ
লজ্জা থাকা উচিত।"
" তুমি না বললে তো জানতেই হবে। পনের বছর ধরে যে মেয়েটা কাজ করছে ।আজ পর্যন্ত
কোনও বেচাল দেখলাম না।সে হঠাৎ কি দোষটা করল জানতে হবে না?"
"আমাকে
বলে কিনা সুনীল দাদাবাবু রোজ রোজ এই বাড়িতে কেন আসে? কাকে কথাটা বলছে সেই জ্ঞানটুকুও নেই। লাই পেয়ে
পেয়ে সাহস কত বেড়ে গেছে।"
"হ্যাঁ,
আমারও প্রশ্ন। রোজ রোজ সুনীল আসে কেন?"
"মানুষ মানুষের বাড়িতে আসতেই পারে। তুমি কি আমাকে অবিশ্বাস করো?"
" বিশ্বাস অবিশ্বাসের ব্যাপার নয়। একটা লোক রোজ রোজ কেন আসবে? স্বামী হিসেবে
কি আমার জানার অধিকার নেই?"
"আমরা
দুজনে মিলে বিজনেস করছি।"
"বিজনেস
! ঘরে বসে কিসের বিজনেস?"
"মোবাইলে রামি খেলি। সুনীলদাই ডাউনলোড করে শিখিয়ে দিয়েছে। জিততে জিততে আঠারো
লাখ জমিয়ে ফেলেছিলাম। এখন অবশ্য হেরে গিয়ে দেড় লাখের মতো পড়ে আছে। আবার জিতে অনেক
টাকা করে ফেলব দেখবে। আমি নাকি সুনীলদার খুব পয়া। ও তো ত্রিশ-বত্রিশ লাখ টাকা
ব্যালেন্স করে ফেলেছে।"
অলক
হতভম্ভ ! এতো জুয়া খেলা শুধু নয় মারণ খেলা! সংসার ছারখার করবে সঙ্গে মানুষকেও শেষ
করে ছাড়বে।
বলল,"
রামি খেলা মানে জুয়া খেলা। এখন বুঝতে
পারছি মাস চারেক আগে ব্যাংক থেকে তিন লাখ
টাকা কেন তুলেছিলে। বলেছিলে বিশেষ দরকার।
ভেবেছিলাম বাপের বাড়ির কারো সমস্যায় টাকা দিয়েছ। তাই কিছু বলিনি। এখন বুঝতে পারছি
জুয়া খেলায় নয়ছয় করেছ। না না, এসব আমার
বাড়িতে চলবে না। আমি বরদাস্ত করবো না।"
"
কেন? ঘরে বসে খেলছি তোমার অসুবিধা কি? তোমার তিন লাখ এক মাসের মধ্যে শোধ করে দেব।
কয়েকটা দিন সময় দাও।আমি খেলবই কারো বারণ শুনব না।"
" ঠিক আছে। তুমি তোমার বাপের বাড়ি গিয়ে খেলো। আমার বাড়িতে অ্যালাউ করব
না।সংসার ছেড়ে জুয়া খেলা ? সুনীলকে আমি আজই বলে দেব।আমার বাড়িতে যেন না ঢোকে।
যেকোনো একটা বেছে নেবে।"
"
তুমি বললেই হল? এই বাড়িতে থেকেই আমি খেলব। কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না।"
" আমি স্পষ্ট কথার মানুষ। এর আগেও আমাকে দেখেছ। তখন স্ত্রী বলে কান্নাকাটি করলেও কিন্তু
বরদাস্ত করব না। কথাটা মনে থাকে যেন।"
"
কেন এমন জেদ করছ?"
অলক
চিৎকার করে উঠল,"আমি আর একটা কথাও বলব না। যা বলার বলে দিয়েছি। বন্ধ না করলে
কালই বাপের বাড়ি চলে যাবে। তোমার মুখ দর্শন করতেও চাই না।"
ঈশিকা ঘাবড়ে গেল। স্বামীর এমন উগ্রমূর্তি আজ অবধি দেখে নি। এরপর কথা বলার সাহস নেই
তার।
লেখকের অন্যান্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
লেখক পরিচিতি -
নিত্যরঞ্জন দেবনাথ পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার পানুহাটে ১৯৫৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।কাটোয়া কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক। বর্তমানে থাকেন হুগলির চুঁচুড়ায়। পেশায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন।অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেল-এর অধীন ডিভিশনাল অ্যাকাউন্টস অফিসার পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম গল্প " চেতনা " ছোটদের পত্রিকা শুকতারায় ১৯৯৬ - এর এপ্রিলে প্রকাশিত হয়। এরপর দেশ, শিলাদিত্য, কালি ও কলম,মাতৃশক্তি, তথ্যকেন্দ্র, কলেজস্ট্রিট, কথাসাহিত্য, দৈনিক স্টেটসম্যান, যুগশঙ্খ, একদিন,,সুখবর ইত্যাদি এবং বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত তাঁর সাহিত্যকীর্তি অব্যাহত। ইতিমধ্যে পাঁচটি গল্প সংকলন ও চারটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক "শতানীক " পত্রিকাটি দীর্ঘদিন ধরে সম্পাদনা করে আসছেন।
.jpg)