Advt

Advt

sab-thik-aachhe-galpo-story-by-bimal-gangopadhaya-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-সব-ঠিক-আছে-গল্প-বিমল-গঙ্গোপাধ্যায়

sab-thik-aachhe-galpo-story-by-bimal-gangopadhaya-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-সব-ঠিক-আছে-গল্প-বিমল-গঙ্গোপাধ্যায়
 

সকাল আটটায় প্রিয়তোষ এসেছিল। ব্লাড নিয়ে গেছে। সুগার ফাস্টিং, বিলুরুবিন, ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া পরীক্ষা হবে। দুপুর দেড়টায় খাওয়া শেষ করতে বলেছে। সাড়ে তিনটেয় আসবে। আবার ব্লাড নেবে। সুগার পিপি হবে। রিপোর্ট আগামীকাল। প্রিয়তোষ নিজে পৌঁছে দিয়ে যাবে।

আজ দুপুর থেকে আগামীকাল বেলা দশটা এগারোটা পর্যন্ত রাজীব বাড়িতেই থাকবে। টিভি দেখবে। খবরের কাগজ পড়বে। গল্পের বইও পড়তে পারে। রাতে ছেঁড়াছেঁড়া ঘুমও হবে। কিন্তু এইসব কিছুর মধ্যেই, দুর্ভাবনা, ভয়, তার বুকে চিনচিনে ব্যথার মতো রয়ে যাবে। যতক্ষণ না আগামীকাল সকালে ব্লাড রিপোর্ট হাতে পাচ্ছে।

রাজীবের বন্ধুরা বলে সে নাকি নিজের শরীর নিয়ে অতিমাত্রায় সচেতন। চারপাশের সব কিছু চুলোয় যাক, শরীরটাকে আগলে রাখতে হবে। রাজীব বলে, একশবার, একা মানুষ। অসুস্থ হয়ে পড়লে কে দেখবে? কথা দে, তোরা পালা করে এসে আমার সেবাযত্ন করবি। বাড়াবাড়ি তেমন কিছু হলে হসপিটালে ভর্তি করবি। কলকাতায় রেফার করলে, আমাকে নিয়ে কলকাতায় দৌঁড়দৌড়ি করবি!  তার চেয়ে ভাল নয় কি, তিন চার মাস অন্তর, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শরীরের দরকারি প্যারামিটারগুলো পরীক্ষা করে জেনে নেওয়া। কোনটা কোন অবস্থায় আছে। কোন গরমিল পাওয়া গেলে, ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে গোড়াতেই সেটাকে নির্মূল করা বা নিদেনপক্ষে অ্যারেস্ট করা!

রাজীবের বন্ধুরা কথা বাড়ায় না। এতে রাজীব আত্মপ্রসাদ লাভ করে এই ভেবে যে, সে সঠিক জবাব দিতে পেরেছে। সে একা মানুষ। সবাই জানে। কিন্তু সে ভিতু মানুষ। এটা শুধু সেই জানে। বন্ধুরা জানে না। পাড়াপড়শি,আত্মীয়স্বজন, কেউ না।

রাজীবের সমস্যা হল সে অন্তর্মুখী। দুঃখ কষ্টের কথা কারোর সঙ্গে শেয়ার করতে পারে না। মাঝেমাঝেই তার মনে হয়, সে যদি বিবাহিত হত, স্ত্রী সন্তান কারোর কাছে তার বুক চাপা ভয় দুশ্চিন্তার কথা বলতে পারত, তাতে বেঁচে থাকাটা অনেক সহজ আর উপভোগ্য হত।

রাজীবের বাবা মারা গেছিলেন যখন রাজীব সবে চাকরিতে ঢুকেছে। বেসরকারি অফিসের চাকুরে রাজীবের বাবার সঞ্চয় বলতে তেমন কিছু ছিল না। বোনের বিয়ের যাবতীয় দায়ভার রাজীবকেই বহন করতে হয়েছে। অনেকগুলো বছর রাজীবকে স্যাক্রিফাইস করতে হয়েছে। সেই সময়কালের মধ্যেই রাজীবের মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হলেন। কথা বন্ধ হয়ে গেছিল। শরীরের ডান দিকটা আসার। এই অবস্থায় ভদ্রমহিলা আঠার বছর জীবিত ছিলেন। যতক্ষণ জেগে থাকতেন চোখ দিয়ে জল গড়াত। রাজীবের বিশ্বাস, তার একাকীত্বের ভাবনায় নয়, পরজন্মে বিশ্বাসী মা, সংসারের পরিবর্তে ঈশ্বরের চরণে ঠাঁই পাওয়ার জন্য আকুতি জানাত চোখের জল ফেলে।

দুবেলা আয়া,কাজের লোক, রান্নার দিদি এই সব সাপোর্ট নিয়ে রাজীব কোনরকমে চাকরিটা বজায় রেখেছিল। মা গত হলেন যখন, রাজীব তখন চুয়ান্ন। হাতে ছ'বছরের চাকরি। কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী তাকে বুঝিয়েছিল একজন লাইফ পার্টনার খুব প্রয়োজন। সংসার সন্তান এসবের জন্য নয়। সুখে দুঃখে পাশে থাকবে। যার সঙ্গে নিজের অসুবিধা দুশ্চিন্তা এইসব বিষয়গুলো শেয়ার করা যাবে। বন্ধ্যা-সময় কাটানোর জন্য ঝগড়া করা যাবে। পরামর্শটা রাজীবের মনে ধরেছিল। একটি চেনা মুখের ছবি নিয়ে দিন কয়েক ভেবেছিল।

রাজীবের মা'-কে বার চারেক নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছিল। চেনা মুখের মেয়েটি ছিল ঐ নার্সিংহোমের রিসেপসানিস্ট। রাজীবের সঙ্গে তার আলগা সখ্যতা তৈরি হয়েছিল। নিম্নবিত্ত সংসারের মেয়েটি স্বল্প বেতনে কাজ করত। তারওপর বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলে যেমনটা হয়,শরীরে ভাঙ্গনের ছাপ। কপালে, চোখের দুপাশে স্পষ্ট বলিরেখা। মাথার চুল পাতলা হওয়ার কারণে বিস্তৃত কপাল। চওড়া সিঁথি। চুয়ান্নর সঙ্গে খুব বেমানান নয়। এগোলেই এগোনো যেতে পারত। রাজীব সাবধানে সন্তর্পণে মেয়েটির খোঁজ করেছিল। মন্দ কপাল। মেয়েটি নার্সিংহোমের কাজ ছেড়ে দিয়েছে বা তাকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এরপর রাজীব দ্বিতীয় কোন অপশন নিয়ে ভাবেনি। ষাট বছরে চাকরি থেকে অবসর হয়েছে। তারপর আরও দুবছর পার হয়েছে। তার ধারণা সে আরও দশ বারো বছর বাঁচবে। এই দীর্ঘ সময়টা তাকে একা থাকতে হবে। আর তাই এখন সে শুধু তার শরীর নিয়ে ভাবে।

(দুই)

সকালে প্রিয়তোষ রাজীবকে ফোন করে জানাল, জরুরী ব্লাড কালেকশনে ভদ্রেশ্বর যেতে হচ্ছে। দুপুরে বাড়ি ফেরার সময় রিপোর্ট পৌঁছে দেবে।

-তার মানে দুটোর আগে আসতে পারছ না? রাজীব জিজ্ঞেস করল।

-একটু আগে পরেও হতে পারে। চিন্তা করবেন না। রাখছি। তাড়া আছে।

রাজীব মিশুকে নয়। হুটপাট এর তার বাড়ি যেতে পারে না। বন্ধুদের কেউ কেউ তার বাড়ি আসে। সে কারোর বাড়ি যায় না। এ নিয়ে বন্ধু মহলে তার দুর্নাম আছে। সে গ্রাহ্য করে না। বরং শ্লাঘা বোধ করে।

প্রতিবার শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার দিন রাজীবের মনে ভয় উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। আজ কিন্তু সেটা একটা অসহ্যের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। বদ্ধ ঘরে নিশ্চুপ বসে থাকলে দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো একটা কষ্টকর অবস্থা তৈরি হবে। কেন এমনটা হচ্ছে রাজীব বুঝতে পারছে না। কোনমতেই বাড়িতে মন বসাতে পারছে না। বাড়ি ছেড়ে কিছুক্ষণের জন্য তাকে বেরোতেই হবে। খোলামেলা চারপাশের মধ্যে, চেনা অচেনা মুখের ভিড়ে থাকতে হবে। তাতে সে মেন্টাল রিলিফ পাবে।

বাড়ি ছেড়ে রাজীব বেরিয়ে পড়ল। সাইকেল চড়ে এলোমেলো অনেকটা পথ ঘুরল। বেলা বাড়ছে। রোদের তেজও বাড়ছে। রাস্তায় লোকজন যানবাহন কম। মাঠের ধারের সিমেন্টের ধাপিগুলো বেবাক ফাঁকা। স্টেট ব্যাংক আর বড় পোস্টঅফিসের সামনে কিছু লোক লাইনে দাঁড়িয়ে। জোড়াঘাটে গঙ্গায় স্নান সেরে ভিজে পোশাকে বাড়ি ফিরছে কয়েকজন মহিলা।  তাদের মধ্যে একটি কিশোরী মেয়েও আছে। রাজীবের চোখে চোখ পড়া মাত্র, মেয়েটি অদ্ভুত ক্ষিপ্রতায় মাথায় জড়ানো ওড়নাটি খুলে বুকের ওপর চাপা দিল।

রাজীবের হাসি পেল। এত অল্প বয়সেই মেয়েটি বুঝে গেছে,পুরুষ সে যে বয়সের হোক না কেন,তার দৃষ্টি মেয়েদের শরীরের কোন অংশে আটকে যায়। নিজেকে অপরাধী ভাবার কোন প্রশ্ন নেই। কারণ রাজীবের দৃষ্টিতে কোন পাপ ছিল না। বরং তার মনে হল মেয়েটির কাছে তার কৃতজ্ঞতার ঋণ রয়ে গেল। সকাল থেকে বুকচাপা কষ্টটা এখন এই মুহূর্তে হাওয়া হয়ে গেছে। নিজেকে বেশ হালকা লাগছে। বাস-স্ট্যান্ডে একটি চায়ের দোকানে চা খেল রাজীব। বাস-স্ট্যান্ড, হসপিটাল মোড় এই অঞ্চলটা বেশ জমজমাট। সার দিয়ে গুমটি দোকান। ফুটপাথ জুড়ে হকার। বাস টোটো অটোর জটলা। চায়ের দোকানে বেঞ্চে বসে রাজীব ঘাড় ঘুরিয়ে চারপাশ দেখছিল। যদি কোন পরিচিত মুখ চোখে পড়ে। যদি কেউ হঠাৎ করে তার নাম ধরে ডেকে ওঠে। কিন্তু এসবের কিছুই হল না। হাত ঘড়িতে সময় দেখল একটা বেজে দশ। বাড়ি ফিরতে হবে এটা ভেবেই মন খারাপ হয়ে গেল। সদর দরজা বন্ধ করে,গ্রীল বারান্দায় তালা লাগিয়ে একরাশ ভয় আর উৎকণ্ঠা বুকে নিয়ে বসে থাকতে হবে। টিভি চলবে। রিমোট হাতে চ্যানেল পালটাবে। সিরিয়াল,ছায়াছবির গান, ক্রাইম অ্যালার্ট, অ্যানিম্যাল প্ল্যানেট, রাজনীতির ঝগড়া তর্ক, কোন কিছুতেই মন বসাতে পারবে না। স্নান সেরে দুপুরের খাবার খেতে পারবে না। গলা দিয়ে খাবার নামবে না। কখন কলিং বেল বেজে উঠবে এই ভাবনায় জড়োসড়ো হয়ে বসে থাকবে।

(তিন)

কলিং বেল বেজে ওঠা মাত্র রাজীব দেওয়াল ঘড়ির দিকে তাকাল। কাঁটায় কাঁটায় দুটো। রাজীব ঘর থেকে বেরিয়ে গ্রীল বারান্দায় এলো। এখন তাকে তালা খুলে মাঝারি একটা উঠোন পেরিয়ে সদরে পৌঁছতে হবে। সব মিলিয়ে কুড়ি বাইশ সেকেন্ডের মকদ্দমা। রাজীবের ক্ষেত্রে সময়টা এক মিনিটের ওপর গড়িয়ে গেল। প্রিয়তোষ আবার কলিং বেল বাজাল। তার সঙ্গে উঁচু গলায় ডাকল,গাঙ্গুলীদা ?

রাজীব সাড়া দিল,যাচ্ছি।

প্রিয়তোষের হাত থেকে মুখবন্ধ খামটি নিলো।

-ভেতরে এসো। রাজীব বলল,ঘেমে গেছ। পাঁচ মিনিট পাখার হাওয়া খেয়ে যাও। প্রিয়তোষ ঘাড় নেড়ে বলল,আজ হবে না। অনেক দেরী হয়ে গেছে। আপনার বউমা অলরেডি দুবার ফোন করেছে। এখনও স্নান খাওয়া দুই-ই বাকি।

রাজীব বলল, সে তো আমারও।

-তফাত আছে গাঙ্গুলীদা। আপনি একা মানুষ।

-তাতে কি হল?

-আপনার বউমা গ্যাসটিক পেশেন্ট। দেরী করে খাওয়া চলে না। আবার জেদিও আছে। একা খাবে না। দুপুর রাতে দুবেলাই। দুজনে একসঙ্গে বসতে হবে।

-ভালই তো ! রাজীব হাল্কা হেসে বলল, খাওয়া তো শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়। তার সঙ্গে একটা অন্যরকম তৃপ্তির ব্যাপার আছে। যা হোক। আর দেরী করাব না। খেয়ে উঠে একটু রেস্ট নিয়ে আবার বেরতে হবে। তাই তো?

প্রিয়তোষ সাইকেলে উঠতে গিয়েও থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল, রেস্ট? আমার ? সে গুড়ে বালি। বলে হাসল। খুশি ভরা হাসি।

রাজীব অবাক গলায় বলল, কেন?

-সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুপুরে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত আমার খুঁটিনাটি সব বিষয় আপনার বউমাকে বলতে হবে। কখন টিফিন খেলাম। ক'কাপ চা খেয়েছি। কতদূর যেতে হয়েছিল। মাথায় টুপি দিয়েছিলাম কিনা। এতো গেল একটা পার্ট। তারপর পেশেন্ট পার্টির খবর। কারোর রিপোর্ট ভাল হয়েছে শুনলে, চোখ বুজে কপালে হাত ছোঁয়াবে। খারাপ শুনলে চোখে জল চলে আসবে। একটু থেমে বলল, গাঁয়ের মেয়ে তো। সেন্টিমেন্টাল।

(চার)

প্রিয়তোষ চলে গেছে মিনিট পনেরো হয়ে গেল। মুখ বন্ধ খাম হাতে চুপ করে বসে আছে রাজীব। এক সময় তার মনে হল, ভালমন্দ যাই হোক না কেন, তাকেই মোকাবিলা করতে হবে। পাশে কেউ নেই। রাজীব খামের মুখ খুলল। রিপোর্টে এক ঝলক চোখ বুলিয়ে চমকে উঠল। অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ঠিক দেখছে কিনা এই সংশয় দূর করার জন্য টেবিলের ড্রয়ার খুলে চশমা বার করল। চশমা চোখে রিপোর্টটা দুবার দেখল। প্রথম পাতায় সুগার ফাস্টিং, পিপি। দ্বিতীয় পাতায় বিলুরুবিন, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন। বুকের মধ্যে থেকে কান্না ঠেলে উঠছে। চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। সারা শরীর জুড়ে অদ্ভুত থ্রিলিং হচ্ছে। রিপোর্টে প্রতিটি প্যারামিটার বেঁধে দেওয়া রেঞ্জের মধ্যে। ও.কে.। পারফেক্ট। এর আগে কোনদিন এমনটা হয়নি। প্রতিবারই কোন না কোন একটি, কখন দুটি প্যারামিটার বেঁধে দেওয়া সীমারেখার হয় অনেকটা নীচে। তা না হলে বেশ খানিকটা ওপরে থাকে। আজকের রিপোর্টটি ব্যতিক্রমী।

রাজীব নিজের মনেই বলল,এ রিপোর্ট নিশ্চয়ই আবু বেন আদম তৈরি করেছে।

সাওয়ারের নীচে দাঁড়িয়ে স্নান করল রাজীব। গলা ছেড়ে গান গাইল – এত আলো এত আকাশ আগে দেখিনি।

আয়েস করে চেটেপুটে দুপুরের খাবার খেল। তারপর বিছানায় শুয়ে মোবাইল অন করল। ধীরেসুস্থে বটম প্রেস করল –নাইন এইট থ্রি ওয়ান ফোর থ্রি এইট থ্রি নাইন এইট । অপর প্রান্ত থেকে সাড়া পাওয়া গেল,হ্যাঁ, গাঙ্গুলীদা বলুন।

-কি করছ?

-আপনাকে যা বলে এলাম। খাওয়া শেষ করে ধারাবিবরণী শোনাচ্ছি।

-ভেরি গুড। একটা খবর দেওয়ার আছে।

-খবর? বিস্মিত গলায় প্রিয়তোষ জিজ্ঞেস করল, কি খবর?

-আজকের রিপোর্টটা ফাটাফাটি।

-মানে?

-একসেলেন্ট। সব ঠিক আছে। কোথাও এতটুকু গরমিল নেই।

-ভাল। বেশ ভাল।

-তোমাকে একটা কথা বলার ছিল। বলে রাজীব একটু থামল। বৌমার সঙ্গে আমার আলাপ নেই। আমাকে চেনে না। তাহলেও বলো গাঙ্গুলীদার রিপোর্টটা খুব ভাল হয়েছে। আমার বিশ্বাস এটা শুনে গাঁয়ের মেয়েটা চোখ বুজে কপালে হাত ছোঁয়াবে। প্রিয়তোষ?

-হ্যাঁ বলুন।

-কি স্বস্তি,তোমাকে বলে বোঝাতে পারব না ! এখন থেকে আমি আর একা নই!

লেখকের অন্যান্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

লেখক পরিচিতি –

লেখালিখির শুরু গত শতকের শেষ দশকে। বাণিজ্যিক পত্রিকার পাশাপাশি লিটল ম্যাগাজিনে

লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে আগ্রহ বেশি। গল্প সংকলন আটটি এবং তিনটি উপন্যাস।