ধারাবাহিক উপন্যাস – প্রতি বৃহস্পতিবার ।
পর্ব-- ৩৮
My body
is a pebble to them, they tend it as water
Tends to
the pebbles it must run over, smooching them gently.
They
bring me numbness in their bright needles they bring me sleep.
একটা প্রজাপতি--মাল্টি
কালারড--বোগনভেলিয়ার গাছে পিংক আর সাদা ফুলের
থোকার ঠিক মাঝখানে। ববিতা সিঙ্ক ভরা
বাসনে সাবান লাগাচ্ছিল--বাভ্রবি ওর মুভি ক্যামেরা নিয়ে ফুল,গাছ আর
প্রজাপতির --মিলন কে ক্যামেরার লেন্সে ধরার
চেষ্টা করছিল--ববিতা সাবান,স্ক্র্যাবার আর এঁটো
বাসনের বোঝা ফেলে খিলখিল করে হাসতে হাসতে বেরিয়ে এলো বাগানে--প্রজাপতি
পাখনা মেলে উড়ে গেলো--বাভ্রবির যদিও ক্যামেরার
কাজ হয়ে গিয়েছিল,তবু কপট রাগের সঙ্গে বলল--"ববিতা,ক্যায়া
কিয়া? তিতলি কো উড়া দিয়া?"
ববিতা হাততালি দিয়ে হাসতে
হাসতে বলল--"আন্টি আন্টি দেখো--উড়তা হুয়া তিতলি কিতনা
সুন্দর হ্যাঁয়। "তারপর নীল
আকাশের বুকে উড়ে যাওয়া একঝাঁক
পাখির দিকে তাকিয়ে
বলল--"আন্টি আগর মেঁ তিতলি ইয়া চিড়িয়া হোতি তো এয়সে উড় যাতি--"
ববিতার মা সর্বেশ ঘর
মোছা শেষ করে সিঙ্ক ভরা সাবান মাখানো বাসন দেখে চেঁচিয়ে
উঠল--"আরে ববিতা--আভি তুনে বর্তন সাফ
নেঁহি কিয়া--আউর দো ঘর কি কাম বাকি
হ্যাঁয়। ইয়ে লেড়কি ভী--"
--"আন্টি ক্যায়া সোঁচ
রহে হো?"
ববিতার গলা শুনে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলতে গিয়ে ও আটকে ফেলল বাভ্রবি। কোমল হেসে বলল--"কুছ নেঁহি
ববিতা। তু আভি ঠিক হো না?"
ববিতা ম্লান হেসে
বলল--"পাতা নেঁহি আন্টি। মেরা চেহারা
তো বিগড় গিয়া!"
বাভ্রবির ব্রেন্ডেড
লিপস্টিকের দিকে লোভাতুর দৃষ্টি দেখে একদিন লাল লিপস্টিক
--
বিয়ের দিন ববিতাকে খুব সুন্দর লাগছিল। ওদের
গ্রামে বিয়ে হয়েছিল
ববিতার--বাভ্রবি ছবি দেখেছিল। সর্বেশ
একটু ক্ষোভের সুরে
বলেছিল--"ইয়ে লড়কি ফটো কে লিয়ে
ইতনা জিদ কর রহি থী --তো মেরা বেটা নে শহর সে ফটোওয়ালা কো বুলায়া।
ববিতা আস্তে আস্তে উঠে
বসল--"আন্টি তুম মেরি কাহানি শুনোগেঁ? তুম তো
খবর কাগজ মেঁ লিখতে হো--মেরি কাহানি ছাপো
গেঁ--"
বাভ্রবি মাথা নেড়ে
বলল--"হাঁ ববিতা জরুর।" ববিতা আধশোয়া--গাছের পাতা
আর রোদের ঝালর একটি গল্প বুনে--
--"মুঝে শাদি নেঁহি করনি--"পায়ের নখে নখ রঞ্জনী
লাগাতে লাগাতে ববিতা বলেছিল--। একটি
তিতলি নিজের মত বাঁচতে
চেয়েছিল--। কিন্ত ববিতা
নামের একটি দশম ক্লাস অব্দি পড়া গরিবি রেখার
মার্জিনে মার্জিনে বেঁচে
থাকা --উত্তর প্রদেশের একটি
প্রত্যন্ত গ্রামের একটি নিছক
মেয়ে মানুষ,কি সেই স্বপ্ন
নিয়ে ঝুঝতে পেরেছিল?
ববিতা নামের একটি অগ্নিদগ্ধ ১৮ বছরের
সদ্য সাবালিকা -না কুমারী, না সধবা, না
বিধবা-মেয়ের মুখোমুখি বাভ্রবি--
পাখনা ছেঁড়া এক প্রজাপতির
মুখোমুখি--
রাতের আকাশে এক
প্রেষ্টিজিয়াস ইনস্টিটিউট এর আকাশ
জুড়ে যখন উড়ে যাচ্ছিল ভিনদেশী বিমান--,চাঁদের গায়ে চুমু খাচ্ছিল রাত-হাওয়ারা
বাভ্রবির বাগানে খেলা করছিল বেড়ালরা--ছানা বেড়ালকে
পাহারা দিয়ে ল্যাজে খেলাচ্ছিল মা বেড়াল--ল্যাপটপে ব্যস্ত হাতে এক তিতলির কাহিনী লিখছিল
বাভ্রবি--
ক্রমশ …………
৩৯তম পর্ব পড়ুন আগামী বৃহস্পতিবার
লেখিকার অন্যান্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।
লেখিকার পরিচিতি
–
জন্ম-কলকাতায় । আসামের বরাক উপত্যকায় বড় হয়ে ওঠা ।
প্রকাশিত
গ্রন্থ
১--সাপ শিশির
খায় (গল্প গ্রন্থ)
২--দেবী দহন--(কবিতা গ্রন্থ)
ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ।

