Advt

Advt

bivinna-prasangikatay-uttaraner-vivekananda-feature-probondho-by-arijit-hazra-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-বিবেকানন্দ

bivinna-prasangikatay-uttaraner-vivekananda-feature-probondho-by-arijit-hazra-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-বিবেকানন্দ
 

উনিশ শতকের বাঙালি সমাজে নরেন্দ্রনাথ দত্ত একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত জেদি সৎ প্রতিভাশালী বাঙালি সন্তান । দারিদ্রতা আর আধ্যাত্মিকতার যৌথ ভাবনায় একটু একটু করে তৈরি হতে থাকা আগামীর পথপ্রদর্শক যুগনায়ক নরেন্দ্রনাথ পরবর্তীতে স্বামী বিবেকানন্দ। নরেন্দ্রনাথ দত্তের বিবেকানন্দের উত্তরণের পথে যেমন ছিল অসংখ্য বাধা ঠিক তেমনি পেয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতন গুরুর সান্নিধ্য। শুধুমাত্র সৎ চিন্তা উন্মুক্ত হৃদয় এবং গুরু ও মায়ের আশীর্বাদে বিশ্ব জয় করে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন নতুন ভারতের আধ্যাত্মিক চেতনাকে। শিকাগোর ধর্ম মহাসভার পর আমি কে? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পেরেছিল বিবেক সর্বস্ব ভারতবাসী ।

bivinna-prasangikatay-uttaraner-vivekananda-feature-probondho-by-arijit-hazra-tatkhanik-digital-bengali-web-bangla-online-e-magazine-বিবেকানন্দ

সারাটা জীবন নরেন্দ্রনাথ পরবর্তীতে বিবেকানন্দ লড়াই করে গিয়েছেন অসত্যের বিরুদ্ধে -বিরোধিতার বিরুদ্ধে । সব কিছুকে ত্যাগ করেছেন কিন্তু জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জন্মদাত্রী মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সত্যকে কোনদিন ত্যাগ করেননি তিনি । স্বামীজীর জীবনী গ্রন্থি থেকে জানা যায় যে বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত শুকিয়া স্ট্রিটের মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশনে ছাত্র অবস্থায় থাকাকালীন তাঁর ভূগোলের শিক্ষক সঠিক কারণ না থাকা সত্ত্বেও নরেন্দ্রনাথকে বেত্রাঘাত করে । বাড়িতে ফিরে স্নেহময়ী ভুবনেশ্বরী সব শোনার পর বলেছিলেন-- "বাছা, যদি ভুল না হয়ে থাকে তবে এতে কি এসে যায়? ফল যায় হোক না কেন সর্বদা যা সত্য বলে মনে করবে তাই করে যাবে। কিন্তু সত্য কখনো ছাড়বেনা।"ভুবনেশ্বরী দেবীর মর্ম বাণী হৃদয় ছুঁয়ে যায় নরেনের । যতবার তিনি সত্য অসত্যের মাঝে পড়েছেন বারবার সত্যকে গ্রহণ করেছেন আনন্দের সাথে। পিতা বিশ্বনাথ দত্তের মৃত্যুর পর বেকার নরেন একটু চাকরির জন্য ঘুরে বেড়াতো কলকাতার শহর জুড়ে। সারদানন্দের বর্ণনা থেকে জানা যায় "স্বামীজি লিখেছেন মৃতাশৌচের অবসান হইবার পূর্ব হইতে কর্মের চেষ্টায় ফিরিতে হইয়াছিল। অনাহারে নগ্ন পদে চাকরির আবেদন হস্তে লইয়া অফিস হইতে অফিসান্তরে ঘুরিয়া বেড়াইতাম। প্রাতঃকালে উঠিয়া গোপনে অনুসন্ধান করিয়া যেদিন বুঝিতাম গৃহে সকলের প্রচুর আহার্য নাই, আমার নিমন্ত্রণ আছে বলিয়া বাহির হইতাম এবং কোনদিন সামান্য কিছু খাইয়া কোনদিন বা অনশনে কাটাইয়া দিতাম।"এই সময় নরেনের বন্ধুরা রোজগারের জন্য বহু অসৎ পথ গ্রহণ করলেও নরেন সেই সমস্ত পথকে ত্যাগ করে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাঁর জিজ্ঞাসিত জীবনকে। সারাদিনের অক্লান্তভাবে চাকরি খোঁজার পর মাঝে মাঝে আসতেন দক্ষিণেশ্বরের ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের কাছে । যতবার তিনি ঠাকুরের কাছে আসতেন ততবার তিনি অনুভব করতেন এক অমোঘ শান্তি । এই সময়ে যখন নরেন কে নিয়ে এক গুজব রটলো যে নরেন্দ্রনাথ বখে গেছে, নাস্তিক হয়েছে দুশ্চরিত্র লোকের সঙ্গে মেলামেশা করে এমনকি মদ্য পান করে প্রকৃতি। আর এইসব কথা দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর রামকৃষ্ণের কাছে পৌঁছালে ঠাকুর উত্তেজিত হয়ে বলিলেন--" চুপ কর শালারা , মা বলিয়াছেন সে কখনো এইরূপ হইতে পারে না ।আর কখনো আমাকে ওইসব কথা বলিলে তোদের মুখ দেখিতে পারিব না ।" অর্থাৎ যে যাই বলুক আগামীর যুগশ্রষ্টাকে স্বয়ং ভগবান ঠিক চিনতে পেরেছিলেন। আর ঠাকুরের এই গভীর বিশ্বাসের জোরেই নরেন পরবর্তীতে হয়ে উঠেছিল স্বামী বিবেকানন্দে।

পরবর্তীকালে নরেন্দ্রনাথ থেকে স্বামী বিবেকানন্দের উত্তরণের পথে বহু বাধা সমালোচনা সহ্য করতে হয় স্বামীজিকে । কিন্তু শুধুমাত্র নিজের প্রতি বিশ্বাস এবং ঠাকুর মায়ের আশীর্বাদে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজয়ীর তিলকের একমাত্র উত্তরাধিকার হতেন স্বামী বিবেকানন্দ। ১৮৯৩ সালের আমেরিকার শিকাগো ধর্মসভার সারা জাগানো বিশ্বচৈতন্যের বক্তব্যের পর সমগ্র বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে স্বামীজি। একজন শ্রেষ্ঠ বাগ্মী হিসাবে হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু বিবেকানন্দের আমেরিকা যাওয়া এবং ধর্ম মহাসভায় বিপুল সাফল্য কিছু বাঙালিরা মেনে নিতে পারেননি। "ও ছড়া ধর্মের কি বোঝে , হিন্দুর পক্ষে সমুদ্র যাত্রা যখন নিষেধ স্বামীজি কি করে গেলেন ,এ হিন্দু ধর্মের অপমান ,আমেরিকার ঠাণ্ডার দেশ সাহেবদের দেশ সেখানে ইজের পড়তে হয়, স্বামীজি সন্ন্যাসী গেরুয়া পড়েন তিনি কি করে নিজের পড়বেন ।"প্রভৃতি একাধিক সমালোচনায় বিদ্ধ করতে থাকেন তৎকালীন বাঙালিরা। তবে প্রবলভাবে বিরোধিতা করেন অপর এক বাঙালি প্রতাপ মজুমদার। যিনি স্বামীজীর শিকাগো যাওয়ার পূর্বে আমেরিকায় পৌঁছেছিলেন। প্রতাপ মজুমদার শিকাগো ধর্ম মহাসভায় ব্রাহ্ম ধর্মের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তৃতাও দেন ওই সভায় । কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দের হৃদয় জয়ী বক্তব্যের পর স্বামীজীর জনপ্রিয়তা প্রতাপ মজুমদার সহ্য করতে পারেননি। তিনি আমেরিকার বিভিন্ন ছোট সভা থেকে প্রথম শ্রেণীর দৈনিক পত্রে স্বামী বিবেকানন্দ সম্পর্কে একের পর এক বিরূপ মন্তব্য  কটূক্তি ও সমালোচনা করে যান নিয়মিত ।কখনো তিনি বলতে লাগলেন-" নরেন সেই ছোঁড়াটা যে ভাগাবন্ডের মতো পথে পথে ঘুরে বেড়াতো ।সে এক লম্বা জামা পরে মাথায় পাগড়ি বেঁধে চিকাগো পার্লামেন্ট একদিন লেকচার করতে উঠলো। ও আবার বেদান্তের কথা কয়।" কখনো আবার বলেন -"কলকাতার গেও ডেপো ছোড়া, পরে সন্ন্যাসী হইয়াছে পথে পথে ঘুরিয়া বেড়ায় ও ভিক্ষা করিয়া খায় ।লেখাপড়া বা ভাদ্র আচরণে ব্যবহার কিছুই জানেনা বোধহয় ,কোন বিপদে পড়ে এখানে পালিয়ে এসেছে ।"এই রূপ একাধিক কথায় স্বামীজীর বিরুদ্ধে আমেরিকার একটি বিরোধী বিবেকানন্দ পরিবেশ সৃষ্টি করতে থাকেন এই বাঙালি প্রতাপ মজুমদার। কিন্তু সব কটূক্তি সমালোচনার পরও স্বামীজি থাকেন গভীর সমুদ্রের নিস্তব্ধ জলের ঢেউয়ের মতন। প্রথম প্রথম স্বামীজি কিছুটা বিরক্তি সুরে বলেন-" করুক গে ,আমরা যে রামকৃষ্ণের তনয়। করিয়া বা কি করিবে? মহাশক্তির প্রভাবে তৃণবৎ সব উঠিয়া যাইবে  ।" ১৮৯৪ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর আলাসিঙ্গা পেরুমল কে স্বামীজি লিখলেন -"আমার বন্ধুগণকে বলবে, যারা আমার নিন্দাবাদ করছেন তাদের জন্য আমার একমাত্র উত্তর একদম চুপ থাকা। আমি তাদের ঢিলটি খেয়ে যদি তাদের পাটকেল মারতে যায়, তবে তো আমি তাদের সঙ্গে একদরের হয়ে পড়লুম, তাদের বলবে সত্য নিজের প্রতিষ্ঠা নিজেই করবে। আমার জন্য তাদের কারো সঙ্গে বিরোধ করতে হবে না।"

স্বামী বিবেকানন্দ এমন একজন সন্ন্যাসী যিনি সকল সামাজিক রীতিনীতি ঊর্ধ্বে ছিলেন । অব্রাহ্মণ বংশের একজন বাঙালি সন্ন্যাস গ্রহণ করেছেন এ সত্য মানতে বেশ কষ্ট হয়েছিল তৎকালীন বাঙালি সমাজকে ।স্বামীজীর ঘনিষ্ঠ সুরেন্দ্রনাথ বসু স্বামীজীর কাছে সন্ন্যাস গ্রহণ করলে সুরেন্দ্রনাথের কাকা অমৃতলাল বসু কটাক্ষ করে বলেন "কি হে সুরেন সন্ন্যাস নেওয়ার জন্য গুরু কি আর খুঁজে পেলে না শেষকালে একটি কায়েতের ছোঁড়ার কাছে সন্ন্যাস নিলে।" কায়েতের ছেলের সন্ন্যাস নেওয়া এবং দেওয়ার বিষয়ে বহুবার অপমানিত হয়েছেন বিবেকানন্দ। ঠাকুর দেহ রাখার পর নরেন্দ্রনাথ তাঁর গুরু ভাইদের নিয়ে বরাহনগরের পোড়ামাটিতে রামকৃষ্ণ ভাবাআন্দোলন শুরু করেন। এখানে থাকাকালীন কারো পেট ভরে খাওয়া জুটত না , পড়বার জন্য কৌপীন ও একখণ্ড গেরুয়া কাপড় ও পয়সার অভাবে দাড়ি-গোঁফ মুণ্ডন করতে পারতেন না তাহারা।এক কঠিন ও কঠোর সময়ের মধ্য দিয়ে রামকৃষ্ণ মঠের আঁতুড় ঘর তৈরি করে চলেছেন স্বামী বিবেকানন্দের সহযোগী গুরু ভাইয়েরা। স্বামী গম্ভীরানন্দ লিখেছেন-" রামকৃষ্ণ তনয়দের অবস্থা এতই শোচনীয় ছিল যে খাওয়া জুটত না ।বাইরে বেরোবার কাপড় নেই না, আছে জুতো। প্রায় উলঙ্গ অবস্থায় জীবন যাপন।"স্বামী অখনন্দ এ বিষয়ে বিবরণ দিয়েছেন-" মঠে এত অভাব যে অনেকদিন গিয়েছে ঠাকুরকে একটু মিছরি শরবত ভোগ দেবার জন্য দু চার পয়সাও থাকি তো না। একটা টেবিলে দুইটি টাকা ছিল তাহারি মধ্যে যাহা কিছু সামান্য পয়সা করি থাকিত।" অর্থাৎ কঠোর আত্ম সংযমের মধ্য দিয়ে রামকৃষ্ণ তনয়গণ তৈরি করে চলেছেন আগামীর বিশ্বের দর্শনকে। কিন্তু এরপরও তৎকালীন উৎসব বাঙালিরা কটূক্তি করতে ছাড়েনি। 'ওটা বদমাইশদের আখড়া ' বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করতে শুরু করেন। বরাহনগরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং অনাহারে থাকার জন্য ১৮৮৭ সালে বিবেকানন্দের টাইফয়েড ধরা পড়ে। প্রায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। সময় সকাল দশা নাগাদ ভাড়া করা গুণ্ডা তাকে খুন করার জন্য বরাহনগরের মাঠে এসে হাজির সে দিনটি ছিল রবিবার। তাদের দাবি 'তার এক আত্মীয় বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে তার সন্দেহ নরেন দত্ত আত্মীয়কে ছাড়পত্র দিয়েছেনরেন দত্তকে খুন না করে আমি যাব না প্রভৃতি প্রাণনাশের হুমকির সঙ্গে গালমন্দ করতে লাগল তারা স্বামীজিকে।

প্রতিকূলতা বিবেকানন্দের জীবনসঙ্গী। স্বামীজীর জীবনীকাররা লিখেছেন-" এই ঘটনা নিয়ে বিবেকানন্দ বিন্দুমাত্র চিন্তিত হননি, একটুও উত্তেজিত হননি। এই হল স্বামীজীর আত্ম সংযমের অনুশীলন। বিবেকানন্দের উত্তরণের পথে তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সততা ও আত্ম সংযম যা জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্থির ছিল তাঁর সেই দৃঢ় মনোভাব ।জীবনের শেষ দিনগুলিতে এসেও তিনি অনুভব করেছিলেন এই জগতের বীভৎসতার মধ্যেও আছে আনন্দের আবেগ। কখনো শরীরের যন্ত্রণায় চঞ্চল হৃদয় ব্যক্ত করে চলেছেন গভীর অভিমানের হৃদয় কথা ।আবার কখনও দিয়ে চলেছেন ব্রহ্মাণ্ডের জ্ঞান অর্জনের কঠোর অনুশীলনের পথের দিশা । স্বামী ব্রহ্মানন্দের কথা থেকে জানা যায় যে এই সময়ে স্বামীজি প্রায়ই বলতেন -"আমি কি করব ,আমার শরীরটা চব্বিশ ঘন্টায় জ্বলছেমাথা ঠিক থাকে না আমি বেঁচে থাকলে তোমাদের বৃথা কষ্ট দেবো , এবার যা হয় একটা এপার ওপার করব হয়, শরীরটা ধ্যান জব করে সারিয়া কাজে ভালো করে লাগাবো নয়তো এই ভাঙ্গা শরীর ছেড়ে দেব।"স্বামীজীর মহাসমাধির দুবছর আগে ১৯০০ সালের এপ্রিলে আলমোরা থেকে মিস জোসেকিং ম্যাকালউডকে একটি চিঠি লেখেন ।সেখানে স্বামীজি লিখেছেন -"আমি যে জন্মেছিলাম তাতে খুশি ,এতে যে কষ্ট পেয়েছি তাতেও খুশি, জীবনের যে বড় বড় ভুল করেছি তাতেও খুশি।"

উনিশ শতকের সাধারণ নরেন্দ্রনাথ দীর্ঘ বিরোধিতা সমালোচনা ও কটূক্তির শ্লাঘায় পরিণত হয়েছিল বিশ্ববন্দিত বিবেকানন্দে । এই পৃথিবীকে এবং পৃথিবীর মানুষের জন্য যে চেতনার বিকাশ ঘটিয়ে এক দৃঢ় সামাজিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায় তা স্বয়ং বিবেকানন্দ দেখিয়ে দিয়ে যায় নিজের জীবন দর্শন এবং কর্মের মাধ্যমে। ইতিহাসের পাতায় হয়তো স্বামীজীর বিরোধীরা সুনামের সাথে স্থান না পেলেও বিশ্ব দর্শনে স্বামী বিবেকানন্দ স্থান চির প্রতিষ্ঠিত মানব নিকেতনে।

 

প্রণাম স্বামীজি।

 

তথ্যসূত্র:---

১.. যুগনায়ক বিবেকানন্দ-- স্বামী গভীরানন্দ ।

২.. বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ --শংকরী প্রসাদ বসু ।

৩.. স্বামী বিবেকানন্দ-- অন্নপূর্ণা দেবী ।

৪.. উদ্বোধন পত্রিকা ।

 

লেখকের অন্যান্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।

লেখক পরিচিতি -

অরিজিৎ হাজরা,পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে বসবাস করেন ।  দীর্ঘ ২১ বছর ধরে শিক্ষকতার কাজে নিয়োজিত।  নেশা হচ্ছে লেখালেখি এবং তথ্যের অনুসন্ধান করা। একজন প্রাবন্ধিক গল্পকার হিসেবেই বেশি পরিচিত ।